1. newsshariful@gmail.com : Md shariful islam : Md shariful islam
  2. torikhossainbappy@gmail.com : Torik Hossain Bappy : Torik Hossain Bappy
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন

মাকসুদকে মেনে নিবে না বন্দরের মুক্তিযোদ্ধরা

স্টাফ রিপোর্টার
  • সংবাদ প্রকাশের সময়ঃ সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪
  • ২৪ জন্য পাঠক দেখেছে।

স্টাফ রিপোর্টার: বন্দর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসন এবং তার সকল অনুষ্ঠানকে বয়কট করেছেন উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধারা।

 

 

সোমবার ২৪ জুন সকালে বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠনিক ভাবে এ ঘোষণা দেন মুক্তিযোদ্ধারা।

 

এ সময় তারা লিখিত বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে শপথ নিয়ে ছিলাম, বাংলাদেশকে স্বাধীন করবো। আমরা মরনপন যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। বাংলাদেশ স্বাধীন করতে গিয়ে আমাদের মা বোনদের ইজ্জত হারাতে হয়েছে। শহীদ হয়েছে ৩০ লাখ মানুষ। যাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন বাংলাদেশ। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী সেই কুখ্যাত রাজাকার ও তাদের দোসরদের আমরা ঘৃনা করি। আমরা তাদের কোন প্রকার ছাড় দিতে পারিনা। পারিনা সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সাথে বেঈমানী করতে। এ জন্য আমরা বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের পক্ষ থেকে আপনাদের মাধ্যমে ঘোষণা করছি, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ও রাজকারের সন্তানকে ছাড় দেব না আমরা শক্ত হাতে তা প্রতিহত করবো।

 

 

গত ৮ মে বন্দর উপজেলা নির্বাচনে ১৯৭১ সালে দেশদ্রোহী সেই কুখ্যাত রাজাকার রফিকপুত্র মাকসুদ হোসেন টাকার জোরে বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধারা তা কোন প্রকারেই মেনে নিতে পারবোনা।
সদ্য নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান এর পিতা কুখ্যাত রাজাকার রফিক স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালিন সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজকে হত্যা করে। শুধু তাইনয় ধামগড় ও মুছাপুরে বিভিন্ন সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ সহ লুটপাট করে। যা সেইসময়ে সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল।
বাংলাদেশ স্বাধীনহওয়ার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন সহ নিরীহ লোকদের অকাতরে হত্যা করে। সেই বর্বর ও কুখ্যাত খুনী রাজাকার রফিকের পুত্র মাকসুদকে বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে প্রত্যাখান করছি।

 

 

গত ১২ জুন সে উপজেলার দায়িত্ব নেয়ার সময় বন্দরউপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাকে বয়কট করেছে। বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় আমরা রাজাকার পুত্রের সকল অনুষ্ঠান বয়কট করলাম।

 

এ সময় বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুল লতিফ সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য গত ১১ জুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহনের দিন বিশাল গাড়ি বহরে বহিরাগতদের নিয়ে বন্দর উপজেলা পরিষদে প্রাঙ্গনে শোডাউন দিয়ে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় যোগ দিয়েছেন বন্দর উপজেলার নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান কুখ্যাত রাজাকার পুত্র মাকসুদ হোসেন। তবে একজন রাজাকার পুত্রকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মেনে নিতে না পারায় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা বয়কট করেছেন উপজেলার সব গুলো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ সহ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দরা।

 

এর আগে গত ১০ জুন ঢাকায় বিভাগীয় কমিশনার মো: সাবিরুল ইসলাম তাকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন। গত ৮মে অনুষ্ঠিত বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রাজাকারপুত্র মাকসুদ হোসেন বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এম.এ রশিদকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তবে বন্দর উপজেলার এ নির্বাচনকে অনেকেই প্রশ্নবিদ্ধ মনে করে রাজাকার পুত্র মাকসুদ হোসেন ভৌতিক ভাবে বিজয়ী হয়েছে বলে মনে করছেন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সাধারণ ভোটারা। শুরুতে নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে কেউ মুখ না খুললেও বর্তমানে অনেকেই নির্বাচনের দিন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

 

প্রসঙ্গত ২০ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় মাকসুদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়দা জজ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২) আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা এ আদেশ দেন। এর আগে উক্ত মামলায় উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন শেষে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন জামিনের আবেদন করেন তিনি।

 

গত ১৯ জুন আদালতে আত্মসমর্পনের শেষ দিন ছিলো। তবে এ দিন একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ আদালতের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় নির্ধারিত তারিখে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।

অনুগ্রহ করে আপনাদের ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন টি শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।

এ জাতীয় আরও সংবাদ ক্যাটাগরি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫৪
  • ১২:০৭
  • ৪:৪৩
  • ৬:৫৩
  • ৮:১৮
  • ৫:১৮