1. newsshariful@gmail.com : Md shariful islam : Md shariful islam
  2. torikhossainbappy@gmail.com : Torik Hossain Bappy : Torik Hossain Bappy
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রূপগঞ্জে গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন রূপগঞ্জে কাঁচাবাজার ও ফলের আড়ত দখলে নেওয়ার পাঁয়তারার অভিযোগ মহেশপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ইটভাটা মালিক নিহত পুলিশি হয়রানির বন্ধের দাবিতে বন্দর থানা ঘেরাও, ওসির অস্বীকার রূপগঞ্জে বন্ধুদের সাথে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু সেলিম ওসমানের মৃত্যুর গুজব বন্দর থানা আ.লীগকে শক্তিশালী করতে সেক্রেটারি পদে খান মাসুদকে চায় ৯টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‘আমাদের সমাজে ভালো মানুষের খুব অভাব’: সিভিল সার্জন নারায়ণগঞ্জ  নারায়ণগঞ্জে সেন্ট্রাল খেয়াঘাট সহ ২৩টি ঘাট পয়েন্টের দরপত্র

কেমন চলছে ঈদের দিনের স্বাস্থ্যসেবা?

বিশেষ প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৪ জন্য পাঠক দেখেছে।
ছবি: সংগ্রহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে শত্রুতার জেরে ঈদের দিনেই সংঘর্ষ বাধে দুই পক্ষের। তাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে চলে আসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন বেশ কয়েকজন। তাদের চিকিৎসা দিয়েছেন ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি অ্যান্ড ক্যাজুয়ালটি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নন্দিতা পাল। সকাল থেকেই একের পর এক রোগী দেখছেন তিনি।

ঈদের দিন সকাল থেকেই রোগীর ভিড় জরুরি বিভাগে। সেখানে ঘুরে মনে হয়নি আজ ঈদের দিন। অন্যান্য সাধারণ দিনের মতোই একটু পর পর রোগী আসছেন চিকিৎসা নিতে। কেউ আহত হয়ে আবার কেউ বা বিষপান করে জরুরি বিভাগে এসেছেন। এছাড়া সাধারণ শারীরিক সমস্যা নিয়েও অনেকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

জরুরি বিভাগের নার্স সাবেদা বিশ্বাস জানান, পূজার সময় অনেকেই আমাদের জন্য ছুটি স্যাক্রিফাইস করেন, এজন্য আমরাও ঈদে তাদের জন্য করি। আমরা একটা মহান পেশায় আছি, এখানে সবসময় ছুটি চাইলেও তো হবে না। আমরা আগে ঈদের সময়ও কিন্তু পোলাও মাংস রান্না করে, সেমাই বানিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতাম। এখন তো সেভাবে সম্ভব না, কারণ আগে আমাদের রোগী।

চিকিৎসক নন্দিতা পাল জানান, ঈদ তো সবসময় একটি বিশেষ উদযাপন। এই সময় আমাদের মুসলিম সহকর্মীরা ছুটিতে গেছেন, আমরা তাদের পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করছি। এটাকে আমি ইতিবাচক হিসেবেই দেখি। কারণ কাউকে না কাউকে তো সেবা দিতে হবে। এখানে যারা রোগী আসছেন তাদের সেবা দিয়েই আমাদের ঈদ আনন্দ।

শুধু শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নয়, পাশাপাশি অবস্থিত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেও কর্তব্যরত আছেন বেশ কিছু চিকিৎসক এবং নার্স। তারাও একই কথা বলছেন।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রোগীদের যা প্রয়োজন সবকিছুরই ব্যবস্থা আছে। চিকিৎসক আছেন, নার্স আছেন সেবা দেওয়ার জন্য। রোগীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া এবার চিকিৎসকদের জন্যও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের সময় সবকিছু বন্ধ থাকে, তাতে চিকিৎসকদের জন্য কষ্ট হয়ে যায় খাবারের।

ঈদের দিন সকাল থেকে সেবা দেখভাল করার জন্য কয়েক দফা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের দিনটা আনন্দের হলেও এভাবে হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করায় তাদের খুব বেশি আক্ষেপ নেই। কারণ মানুষের প্রয়োজনে তারা সবাইকে সেবা দিয়ে যেতে পারছেন এটাই তাদের বড় আনন্দ। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটানোটা উপভোগ করতে না পারলেও পেশাগত দায়িত্ব থেকে সবাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়ে যেতে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সকাল থেকে কয়েক দফা পরিদর্শনে এসে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সসহ সবার সঙ্গে কথা বলেছেন, ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে সমাধান করছেন। তিনি জানান, চিকিৎসাসেবার ব্রত নিয়ে এই পেশায় এসেছেন চিকিৎসকরা। মানুষের মুখে হাসি ফুটলেই তারা আনন্দ পান। তবে দিনশেষে তাদেরও পরিবার আছে। কিন্তু তারা সেই কষ্টকে ভুলে যান যখন ঠিকমতো সেবা দিতে পারেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. আলাউদ্দিন বলেন, পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ পালন করা হচ্ছে মানসিক একটা প্রশান্তির বিষয়। পাশাপাশি দায়িত্বেরও একটা বিষয় আছে। দায়িত্ব পালনে একটা আলাদা শান্তি আছে, আবার এক ধরনের চাপও আছে। হাসপাতাল হলো এমন একটা প্রতিষ্ঠান, যেখানে মানুষ আসবে চিকিৎসাসেবা নিতে। তাই এখানে সেই দায়িত্ব পালনে পিছপা হওয়া যাবে না চিকিৎসকদের।

এদিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাজধানীর মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ঈদের ছুটির মধ্যেও দেশের কোনও হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাঘাত ঘটেনি বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মুগদা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী হিসেবে এটা আমার প্রথম ঈদ। আমি আশা করছি দেশের মানুষ খুব সুন্দরভাবে ঈদ পালন করছেন। আমি গতকালও (বুধবার) কয়েকটা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আজ আরও কয়েকটি হাসপাতালে যাবো। গতকাল দুটি হাসপাতালে গিয়েছি, দুই জায়গায়ই আমি পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স পেয়েছি। আমি সন্তুষ্ট। রোগীদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। কেউ কোনও অভিযোগ করেননি।

তিনি বলেন, আজ সকালেও দেশের সব হাসপাতালে পরিচালকদের কাছে মেসেজ পাঠিয়েছি। আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, সব জায়গায়ই চিকিৎসা চলছে। কোথাও ব্যাঘাত ঘটেনি।

অনুগ্রহ করে আপনাদের ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন টি শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।

এ জাতীয় আরও সংবাদ ক্যাটাগরি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫০
  • ১১:৫৯
  • ৪:৩৪
  • ৬:৪২
  • ৮:০৬
  • ৫:১২