শ্রীপুরে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ

লেখক: মাহফুজুর রহমান ইকবাল গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৮ মাস আগে

গাজীপুরের শ্রীপুরের গোসিংগা ইউনিয়নে মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে এক মুদি দোকানীর বিরুদ্ধে। পরে ইউনিয়ন পরিষদে টাকার বিনিময়ে রফাদফার চেষ্টা।

ভিক্টিমের পরিবার সূত্রে জানা যায়,বাড়ির পাশে  আলম মিয়ার মুদি দোকানে মজা আনতে যায় ভিকটিম।

মুদি দোকানী আলম মিয়া ভিকটিমকে বলে,  আয় মজা দিমু, খাবি? হ খামু। তাইলে আমার কাছে আয়। যেই শিশুটি মজা নিতে দোকানদারের কাছে গেল অমনি শিশুটিকে ঝাপটে ধরে বুকে নিতম্বে উরুতে গালে হাতে এবং স্পর্শকাতরস্থানে হাত দিয়ে চুমুতে শুরু করলে শিশুটি চিৎকার দেয়। শিশুটির চিৎকার শুনে আশেপাশের স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে দোকানদারকে আটক করে।

পরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করছে বলে জানাযায় গোসিঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং  সদস্য তাজউদ্দিন সহ তার সহযোগীরা।

স্থানীয়রা জানান আদম ব্যবসায়ী ফজলু, দেলোয়ার ডা.সহ কয়েকজন এলাকাবাসীর গেসিংগা ইউনিয়ন পরিষদে টাকার বিনিময়ে সমাধানের চেষ্টা চালায়। ভিকটিমের নানা আলফাজ উদ্দিন জানান, মেম্বার তাজউদ্দীন আমাকে পরিষদে ডেকে নিয়ে যায় সমাধানের কথা বলে। পরিষদের চেয়ারম্যান এর কাছে আমাকে নিয়ে যায় ওখানে নিয়ে গিয়ে আদম ব্যবসায়ী ফজলু এবং দেলোয়ার ডাক্তার  দশ হাজার টাকা অফার করে। এ টাকাতে আমি রাজি না হওয়ায় পরে কোন সমাধান হয়নি।

স্থানীয় মেম্বার তাজউদ্দিন জানান, ঘটনা শুনে চেয়ারম্যান কে আমি ফোন দেই চেয়ারম্যান আমাকে বলে এদেরকে নিয়ে পরিষদে যাওয়ার জন্য পরে আমি ভিককিমের পরিবারকে নিয়ে চেয়ারম্যান এর কাছে যায়। চেয়ারম্যানের কাছে রেখে আমি চলে চলে আসি।

এ বিষয়ে গোসিংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  শাহীন জানান, ঘটনার বিষয়টি ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার তাজউদ্দীনের মাধ্যমে জানতে পারি। পরে মেম্বারকে বলি ভিকটিমের পরিবারকে নিয়ে পরিষদে আসতে। পরিষদে আসার পর এবং সমাধানের চেষ্টা করি। পরে কোন সমাধান না হয় আমি চলে যায়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম  বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

  • শ্রীপুরে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ