বন্দরে ক্ষমতাসীন দলের উদীয়মান ত্যাগী নেতারা শংকায়!

লেখক: নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২ years ago

বন্দরে ক্ষমতাসীন দলের উদীয়মান ত্যাগী নেতাদের মধ্যে অনেকটা হতাশাগ্রস্ত ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে বন্দর থানা ছাত্রলীগের ( সোনালী অতীত) কমিটির ১৫/২০ জন নেতা এখনো রাজনৈতিক মাঠে সরব। নানা প্রতিকূলতা, বাধা, নির্যাতন, ষড়যন্ত্রের শিকারে পতিত হওয়ার পরও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি থেকে পিছু হঠেনি।

উদীয়মান ত্যাগী নেতাদের নিয়ে এখনো নিজ দলের একটি অংশ ও বিএনপি – জামায়াতের শক্তি এক হয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এ ষড়যন্ত্রের জাল আরো বেগবান করছে।

বিগত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ষড়যন্ত্রমূলক তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্র হতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের ওর্য়াড, মহানগর ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগসহ ৪ টি কমিটি বিলুপ্ত করেন। যার ফলে বন্দরের উদীয়মান ত্যাগী নেতারা অনেকটা হোঁচট খায়।

মহানগর আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবির মৃধা, সাবেক কাউন্সিলর ফয়সাল মোহাম্মদ সাগর, মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান, তানভীর সোহেল, মাহবুবুর রহমান কমল, এস এ রানা, ছাত্রলীগের সহ সভাপতি রাজু আহমেদ সুজন, সাধারণ সম্পাদক বিন্দুরা সাবেক হয়ে আছেন। ভবিষ্যতে কমিটি আসলে কে কোন পদে জায়গা হবে তা নিয়েও শংকা রয়েছে। কারন নিজ দলের মধ্যেও গ্রুপিং একেবারে প্রকাশ্য।

অপরদিকে বন্দরের উদীয়মান নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত যুবলীগ নেতা খান মাসুদ, ফারুক হোসেন জনি, ফারুক প্রধান, অহিদুজ্জামান অহিদ, সুমন মিয়া, বন্দর থানা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের আহবায়ক মাসুম আহম্মেদ, সদস্য রাজু আহম্মেদসহ অনেক রাজপথের ত্যাগী নেতারাও একই শংকা ভবিষ্যত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও কমিটি আসলে তাদের যোগ্যতার বিচারে পদে রাখা হবে কি না।

  • বন্দরে ক্ষমতাসীন দলের উদীয়মান ত্যাগী নেতারা শংকায়!