বন্দরে আজমেরী ওসমানের নাম ভাঙ্গিয়ে বেপরোয়া সোহান ও আনিল

লেখক: আমাদের সংগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশ: ২ years ago

প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরী ওসমানের নাম ভাঙ্গিয়ে বন্দরে হোন্ডা বাহিনীর প্রধান সোহান, আনিল বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শহরে হোন্ডা বাহিনীর মহড়া কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বন্দরে সোয়ান, আনিল বাহিনীর নানামুখী তান্ডবে দিশেহারা নবীগঞ্জ, কাইতাখালী, নোয়াদ্দা, কদমতলীসহ ৮/১০ টি এলাকার লোকজন।

জুট সেক্টর নিয়ন্ত্রণ, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগসহ নানামুখী অবৈধ কর্মকান্ড করে বেড়াচ্ছে। বন্দরের কাইতাখালী এলাকায় অবস্থিত “রাজ ” গার্মন্টেসের জুট সেক্টর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সোয়ান, আনিল, মাহবুবুল সিকদার এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করেন।

কাইতাখালী এলাকায় এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাত ১ টা হতে ভোর ৪টা পর্যন্ত সোয়ান বাহিনী স্থানীয় শাহনেওয়াজ মিয়ার সাথে দফায় দফায় হামলা চালায়। নিজেরা হামলা চালিয়ে থানা পুলিশকে দ্রুত লৌহিয়া পুল এলাকায় যেতে বলে। থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে উল্টো চিত্র।

এস আই রফিকুল ইসলাম এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানান, সোয়ান, আনিলরা হোন্ডা বাহিনীর হোতা। সোয়ানকে প্রতিদিন রাতে ৪/৫ টি হোন্ডা এসে নামিয়ে দিয়ে যায়। বন্দরে শক্রতার জের ধরে রুনা আক্তার নামের এক নারীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

গত (৩)জুন তাকে তার বাড়িতে গিয়ে হেনস্তা ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে অভিযুক্তরা। ভুক্তভোগী রুনা আক্তার বন্দর উপজেলা বন্দর ইউনিয়ন কদম তলী এলাকার মো.আলমগীরের স্ত্রী।

এ ব্যাপারে রুনা আক্তার বন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্তরা হলেন, মোঃ সোহান(৩০), কাইতাখালি এলাকার মাহবুল শিকদারের ছেলে, আনিল শিকদারসহ (৩২) অঙ্গাতনামা আরও কয়েকজন।

রুনা আক্তার জানায়- আমার স্বামী দুবাই প্রবাশে থাকতেই পূর্বশত্রুতা জের ধরে গত ৩ রা, জুন আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় তারা আমার নিজ বসত বাড়িতে পৌঁছে আমার ঘরবাড়ি ভাংচুর ও আমাকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। তারা বাড়িতে পৌঁছে আমাকে বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বলে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।তারা বাড়ি দখল করার হুমকি প্রদান করে।আমার বাড়ি নির্মাণ করার ৩শ’ কেজি রড আসামিরা নিয়ে যায়। আমার মা’কে মারধর করে সে-ই সময় আমি চিৎকার করলে আমাকে ও আমার মা’কে অকথ্য গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

  • বন্দরে আজমেরী ওসমানের নাম ভাঙ্গিয়ে বেপরোয়া সোহান ও আনিল